ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা
জঙ্গি সংগঠনগুলোর ন্যারেটিভ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ
২০১৪-২০১৫ সালের দিকে সে পুরোপুরি আল-কায়েদা এক্টিভিস্ট ছিল। ‘হানীন ইলদারম’ নামে লেখালেখি করতো [...]

কারাগারের গেটে স্ত্রী-সন্তানের লাশ: একটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের চিত্র

“যে সমুদ্র সব থেকে সুন্দর/ তা আজও আমরা দেখিনি।/ সব থেকে সুন্দর শিশু/ আজও বেড়ে...

নির্বাচনের মাঠে ধর্মের কার্ড: গণতন্ত্রের জন্য হুমকি?

মেটিকুলাস ডিজাইনে এবং পশ্চিমাদের অর্থায়নে যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায়...

নয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, পুরানো ভণ্ডামির নতুন দোকান

১) আপনারা এটাকে নতুন প্ল্যাটফর্ম বলছেন কেন? এরা তো অনেক আগে থেকেই বিরাজ করছে। কয়েকটা প্ল্যাটফর্মে...

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি: জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি
বিচারহীনতার সংস্কৃতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে [...]
ধর্ষণের মহামারী: শুধু আইন নয়, প্রয়োজন সমন্বিত সংস্কার
কুষ্টিয়ায় একটি শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চপেটাঘাতের মাধ্যমে তথাকথিত ‘বিচার’ সম্পন্ন হয়েছে—এটি আইনের প্রতি সমাজের অবহেলা ও বিচারব্যবস্থার দুর্বলতারই প্রতিচ্ছবি [...]
নির্বাচনের মাঠে ধর্মের কার্ড: গণতন্ত্রের জন্য হুমকি?
মেটিকুলাস ডিজাইনে এবং পশ্চিমাদের অর্থায়নে যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে [...]
ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ের উদ্যোগ বন্ধ হোক
শিশু ও নারীর অধিকার নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা সবসময় মানুষকে এই বলে সচেতন করেন যে ধর্ষণের ঘটনায় কোনো সালিশ হয় না [...]
জামায়াতে ইসলামী অনুতপ্ত নয় একাত্তরের জন্য ক্ষমা চায়নি
যেহেতু জামায়াতে ইসলামীই অস্তিত্ব নিয়ে টিকে আছে কিংবা তাদের স্বাধীন দেশে রাজনৈতিক অধিকার দেওয়া হয়েছে, তাই তাদেরই রাজনৈতিকভাবে নৃশংসতার দায় স্বীকার করতে হবে [...]
নিজে নিজে না নিভলে নেভে না যে আগুন
বাংলাদেশে এখন অগ্নিকাণ্ড যেন এক স্থায়ী আতঙ্কের নাম। এসব অগ্নিকাণ্ডকে এখন শুধু একটি দুর্ঘটনা  বললে ভুল হবে। এসব অগ্নিদুর্ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট সময় বা সিজন নেই [...]
বৈষম্যের অভিশাপ / নতুন প্রজন্ম কি কেবলই একটি ‘বন্দি’ প্রজন্ম?
তারা ক্রমশ অনুভব করছে যে সমাজের সিঁড়িতে আরোহণ করা তাঁদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন, এমনকি অসম্ভব [...]
অবশেষে ‘ঠাণ্ডা-লড়াইয়ে’ জয়ী ওয়াকার!
‘Winning a war without arms!’—এই সামরিক প্রবাদ অনুসারে, গত পনেরো মাস ধরে সেনানিবাসে বিগত সরকার পতনের ‘অন্যতম কুশীলব’ জেনারেল ওয়াকার [...]
উন্নয়নের ‘আইএমএফ মডেল’ থেকে বেরিয়ে আসা যে কারণে জরুরি
বর্তমান সময়ে ‘উন্নয়ন’ ধারণাটি যতটা অর্থনৈতিক, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক। ধারণাটি যতটা দেশীয়, তার চেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক। বিশ্বায়নের এ যুগে আন্তর্জাতিকতার আরেক নাম পাশ্চাত্যকরণ। পাশ্চাত্য প্রচারে ‘উন্নয়ন’ ধারণাটিই অধিক সমাদৃত। ফলে দারিদ্র্য বিমোচনের স্লোগান দিন দিন ফিকে হয়ে পড়ছে। এ কারণে নয় যে দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে। এ কারণে যে উন্নয়ন ধারণাটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কাছে অধিক জনপ্রিয়। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী পাশ্চাত্য প্রচারণা ও মডেল দ্বারা অনেক বেশি অনুপ্রাণিত হয়। সেই সুযোগে ‘উন্নয়ন’ ধারণাকে আমাদের রাজনীতির অনুষঙ্গ করেছে এ দেশের রাজনীতিবিদরা। এর নেতৃত্বে রয়েছে আন্তর্জাতিক তথা ‘পাশ্চাত্য’ সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এ দুই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল। উভয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসি। বিশ্বব্যাংকের মূল লক্ষ্য ‘উন্নয়ন’ প্রকল্পে ঋণ ও অনুদান প্রদান; আর আইএমএফের লক্ষ্য আর্থিক সংকটে নিপতিত রাষ্ট্রের ঋণ ও নীতি সহায়তা প্রদান। ‘ঋণ সহায়তা’ সরাসরি অর্থনৈতিক কার্যক্রম হলেও নীতি সহায়তা অনেক বেশি মাত্রায় রাজনৈতিক। আইএমএফ এই রাজনৈতিক কাজটিই আঞ্জাম দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের বোঝা দরকার, আইএমএফ কীভাবে একই সঙ্গে ‘ঋণ সহায়তা’ ও ‘ নীতি সহায়তা’র কাজটি করছে।   তৎকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ২০২৩ সালে আইএমএফ বাংলাদেশকে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করে। ৪২ মাসের এ ঋণ কর্মসূচিতে ৩০টি শর্ত রয়েছে, যা তিনটি বিভাগের অধীনে পড়ে: পরিমাণগত মান উন্নয়নসংক্রান্ত শর্ত (কিউপিসি), অবকাঠামোগত মান উন্নয়নসংক্রান্ত শর্ত (এসআরসি) ও সাধারণ প্রতিশ্রুতি (জিসি)। তিনটি বিভাগের আওতায় রাখা নির্ধারিত ৩০টি শর্ত হলো নীতি সহায়তা। প্রথমটির অধীনে আছে ১০টি শর্ত। শর্তগুলোর প্রধান দিক হলো সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা। এ লক্ষ্যে আইএমএফ বলছে, সরকারকে কর প্রশাসন সংস্কার করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে, যাতে বাজেট ঘাটতি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখা যায়। রাজস্ব সংগ্রহের সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি ভালো প্রস্তাব। রাজস্ব বৃদ্ধি পেলে সরকার বাজেট ঘাটতি কমাতে পারবে, একই সঙ্গে উন্নয়নমূলক কাজের পরিধি বাড়াতে পারবে। কিন্তু আইএমএফের শর্ত মানলে সরকার স্বাধীনভাবে উন্নয়নমূলক কাজের পরিধি বাড়াতে পারবে না। এর অন্যতম কারণ অবকাঠামোগত মান উন্নয়নসংক্রান্ত শর্ত। এখানে আইএমএফ বলছে, জ্বালানি ও জ্বালানিসংশ্লিষ্ট খাতে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিনির্ভর মূল্য ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি স্বয়ংক্রিয় ও সূত্রভিত্তিক মূল্যনির্ধারণ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। একই সঙ্গে শর্তে বলা হয়েছে, মুদ্রা বিনিময় হার এবং সুদের হারকেও সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রণ না করে বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত গ্যাস খাতে ৩৬ হাজার ৭১২ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয় এবং গত বছর বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি বাবদ ৬২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এমনিতেই এ দেশের মানুষ উচ্চমূল্যস্ফীতিতে আক্রান্ত। পণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে সেভাবে আয় বাড়ছে না। পণ্যের দাম কমার একটা পদ্ধতি হতে পারত সরকারি প্রণোদনা বা ভর্তুকি বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। আইএমএফ সাধারণ প্রতিশ্রুতির অধীনে যে কয়েকটি শর্ত দিয়েছে তার মধ্যে একটি হলো জ্বালানি, সার ও অন্যান্য সেক্টরে ভর্তুকি কমাতে হবে। এ শর্ত মেনে যদি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারের ওপর সরকারি ভর্তুকি কমানো হয়, তাতে আমাদের কৃষি ব্যবস্থা আরো দুর্বল হয়ে পড়বে। অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে আমাদের দেশে চলমান ভর্তুকি ব্যবস্থাকে সুষমভাবে কার্যকর করা এখনো সম্ভব হয়নি। কী করে ভর্তুকি ব্যবস্থাকে কার্যকর করা যায়, তার পদ্ধতি অন্বেষণ না করে ভর্তুকি কমিয়ে ফেলা পুরো দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করার নামান্তর।   সরকারি প্রণোদনার অভাবে বেশ কয়েকটি সার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সারের আমদানি বেড়েছে। ডলারের মূল্য বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে আমদানি মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াই স্বাভাবিক। তাছাড়া কৃষকরা সরকারি ব্যাংকিং পদ্ধতির সুফল পাচ্ছেন না। কৃষকরা ৮১ শতাংশের বেশি ঋণ নিচ্ছেন বেসরকারি উৎস থেকে, যেখানে সুদের হার ১৯-৬৩ শতাংশ। অথচ সরকারি কৃষি ব্যাংক ৯ শতাংশ সুদে যে কৃষি ঋণ দিচ্ছে তার পরিমাণ মাত্র ৬ শতাংশ। এনজিওগুলো ব্যাংক থেকে ১২-১৩ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তা থেকে ৩০ শতাংশ সুদে কৃষককে ঋণ দিচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদনে খরচ বাড়ছে, কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রকারান্তরে কৃষিজাত পণ্যের আমদানি বাড়ছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংকিং ব্যবস্থা আইএমএফের নীতির অনুগামী হওয়ার ফলে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। শিল্পে বিনিয়োগের জন্য যে মূলধন ব্যাংক থেকে নেয়া হয় তাতে সুদের হার বেশি। সুদের হার বাজার দ্বারা নির্ধারিত হওয়ার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পেয়েছে। এতে শিল্পোন্নয়নে সরকারের ক্ষমতা কমে গেছে। অনেক শিল্প-কারখানা পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ভর্তুকি হ্রাস করা হলে আমাদের শিল্পোৎপাদন আরো ক্ষতির মধ্যে পড়বে।   এর মানে আইএমএফের শর্ত তথা ‘নীতি সহায়তা’ মেনে চললে আমাদের রফতানিমুখী অর্থনীতি আরো ভেঙে পড়বে। এমনিতেই আমদানির অংক অনেক বড়, রফতনির অংক ছোট। রফতানি আয় কমে গেলে আমদানির ওপর চাপ বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। ২০২২ সালের হিসাবে দেখা গেছে, বাংলাদেশ আমদানি করেছিল ৯৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আর রফতানি করেছিল ৫৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৩৭ বিলিয়ন ডলার। হিসাবে দেখা যায়, রফতানি বৃদ্ধির হারের চেয়ে আমদানি বৃদ্ধির হার বেশি। এর মানে বাণিজ্য ঘাটতি আরো বাড়ছে। চলমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে না পারলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পিছিয়ে পড়বে। বাস্তবে পিছিয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে সরকারকে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। অথচ বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য আইএমএফ কোনো স্পষ্ট নীতি হাজির করেনি। আইএমএফের নীতি হলো সরকারি খরচ কমানো, বেসরকারীকরণ বাড়ানো, আর বাজার ব্যবস্থার ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো।   আইএমএফ রাজস্ব বাড়ানোকে গুরুত্ব দিলেও সেই রাজস্বের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করতে বলেছে। এর নাম দিয়েছে ঋণ ব্যবস্থাপনা। দেশের বাজেটের সিংহভাগ যখন দেশী-বিদেশী ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হয়, তখন তো দেশের কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য উন্নয়ন ও সেবামূলক খাতে সরকারি ব্যয় কমাতে সরকার বাধ্য হবে। আইএমএফ এটাই চায়। আইএমএফ চায় দেশের জনগণের উপার্জিত অর্থ বিদেশে চলে যাক, দেশে একটা নির্ভরশীল অর্থনীতি তৈরি হোক। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে আইএমএফ চায় টেকসই নির্ভরশীল অর্থনীতি। এসব প্রতিষ্ঠান কিছুতেই টেকসই স্বনির্ভর অর্থনীতি চায় না। বরং বাংলাদেশের মতো দেশে যেন টেকসই স্বনির্ভর অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত না হয় তার জন্য আইএমএফ ‘নীতি সহায়তা’ দিয়ে চলছে। আমাদের সরকারকে বাধ্য করছে এ ধরনের ‘নীতি সহায়তা’ মেনে নিতে।   আইএমএফের এ নীতিসাম্রাজ্যবাদ বজায় থাকলে আর সরকার তা মেনে নিলে দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতি উভয়ই পর্যুদস্ত হতে বাধ্য। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এ ধরনের নীতিসাম্রাজ্যবাদ কিছুতেই টিকতে পারবে না। যে সরকার জনগণের অধিকার পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সেই সরকারকে আইএমএফের নীতি শিকল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বেসরকারীকরণের নামে পাশ্চাত্য কোম্পানির স্বার্থরক্ষার জন্য সরকার নিজের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিতে পারে না। সরকারকে অবশ্যই স্বাধীন অর্থনীতির পথে চলতে হবে। সেজন্য দরকার রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার। বিদেশী প্রতিষ্ঠানের আজ্ঞাবহ কেউ অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হতে পারবে না। দেশের অর্থনীতিকে কৃষিবান্ধব ও শিল্পবান্ধব করতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে করণীয় ঠিক করতে হবে। দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুদের হার নির্ধারণ করতে হবে সরকারিভাবে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ঋণকে সহজ করতে হবে, স্বল্প সুদে শিল্প ঋণ নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প-কারখানায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকারি প্রণোদনা বাড়াতে হবে। তদুপরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির লাগাম টেনে না ধরলে আইএমএফের রাজনীতির বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়বে।   আইএমএফের নীতিসাম্রাজ্যবাদ থেকে মুক্তি এখন অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। আমরা যদি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে স্বাধীন না হই আর দেশের ভবিষ্যৎ যদি স্বাধীন নীতির আলোকে না গড়ি, তাহলে আমাদের স্বাধীনতা আর উন্নয়ন কিছুই থাকবে না।   ড. আশেক মাহমুদ: সহযোগী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জুলাই ঝুলিয়ে হ্যাঁ-না জটিলতা
প্রাসঙ্গিক নির্বাচনকে অপ্রাসঙ্গিক, বিএনপির নিশ্চিত ক্ষমতাকে অনিশ্চিত করাসহ রাজনীতির ময়দান ঠেসে যাচ্ছে ব্ল্যাকমেইলে। যে যাকে যেভাবে পারছে করছে। এর বেশি শিকার বিএনপি। জেনে-বুঝেও পারছে না শক্ত অবস্থান নিতে। সমঝে চলতে চলতে, ছাড় দিতে দিতে বুক মাটিতে লেগে গেলেও কাঁতরাতে পারছে না কঠিন এক বাস্তবতার তোড়ে। সরকারসহ এক সময়ের মিত্র দলগুলোর ভূমিকাও কোনো না কোনোভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে। হালে একদিকে বিএনপি কিছুটা মোচড় দেওয়ার পথে। অন্যদিকে একেক সময় চরম অবস্থানে চলে যাচ্ছে একেক দল। প্রকারান্তরে তা জুলাই চেতনাকে ঝুলিয়ে দিচ্ছে। তা ফ্যাসাদে পেঁচিয়ে ফেলছে নির্বাচনকে। গণভোটকেও। সেখানে প্রতিনিয়তই ধোঁয়াশা-কুয়াশার ঘনঘটা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও তুঙ্গে।   আল্লাহ ছাড়া কেউ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঠেকাতে পারে না বলে প্রত্যয় আছে সরকারের দিক থেকে। আবার প্রকাশ করা হয়েছে মহাগণ্ডগোলের শঙ্কাও। তাও স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টার বরাতে। ‘নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হচ্ছে, হঠাৎ আক্রমণ আসতে পারে’—আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করে তার এমন শঙ্কার জানান দিয়েছেন প্রেস সচিব। সেখানে আইন উপদেষ্টা বলছেন, যত কিছুই হোক, যে যত কথাই বলুক; ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবেই। এতে প্রশ্ন ও শঙ্কা আরও জোরালো হচ্ছে। সাধারণ বুঝজ্ঞানের মানুষও প্রশ্নবিদ্ধ—কেন এত বেশি বেশি করে নির্বাচনের গ্যারান্টি দেওয়া হচ্ছে? নির্বাচনের গ্যারান্টি নেই বলেই?   মুখের ভাষার সঙ্গে কাজকর্মেও জুলাইবিরোধী তৎপরতা স্পষ্ট। রীতিমতো জুলাই ব্যবসা। অনেকটা আওয়ামী লীগের একাত্তরের নামে একাত্তরবিরোধী ক্রিয়াকর্মের মতো। এর মধ্য দিয়ে একদিকে জুলাই ঝুলে গেছে। এখন নির্বাচন, সংস্কারসহ সামনের রাজনীতিও ঝুলতে বসার উপক্রম। অগণতান্ত্রিক দাবিকে জনপ্রিয় করতে গিয়ে অন্যের নামে কুৎসা রটনার কদাকার দৃশ্য অহরহ। ন্যারেটিভ পলিটিকস মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নমুনা বলছে, এর উদ্দেশ্য বিভক্তকরণ ও ধোঁকায় ফেলা। এর ঢোলের বাড়িতে ক্ষুদ্র লাভে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে মেধাবী দল। অভ্যুত্থানের দলটি মেধাবীদের থেকে ভিন্ন কিছু চাইলেও ভাষা ও চাওয়ার ভঙ্গিতে আলাদা নিয়ত গোপন থাকছে না। যেটার কোনো দরকারই নেই, সেটা নিয়েও ঝড় তোলার নমুনা তা খোলাসা করে দিচ্ছে। নির্বাচন ছাড়া এমনি এমনি খাবলে খাওয়ার আলাদা মজা থাকলেও, তা বেশি দিন টেকসই হবে না, তাও স্পষ্ট।   জামায়াত কোনোদিনও বিএনপির প্রতিপক্ষ হওয়ার মতো সামর্থ্যবান নয়। কিন্তু হতে চায়। তা চাইতে গিয়ে ভজঘট পাকিয়ে ফেলছে। সবাই রাজনীতি না করলেও রাজনীতি ও রাজনীতিক বিষয়ে সাধারণ মানুষের একটা বুঝ আছে। তারা হাড়ে হাড়ে চিনছে সবাইকে। সরকারকেও চিনছে, যা চেনার বাকি ছিল, তা গত কদিনে আরেকটু ঝালিয়ে নিয়েছে। একটা কমন প্রশ্ন—৮৪টা পয়েন্ট আর ৭টা অঙ্গীকারের ওপর গণভোট হয় কী করে? সাধারণ মানুষ জানে, ৮৪টা পয়েন্ট আর ৭টা অঙ্গীকারে কী আছে? শিক্ষিতসচেতন মানুষের কত শতাংশ জানে? সুতরাং তারা কীসের ভিত্তিতে ভোট দেবে? তা ছাড়া যে সনদের অনেক পয়েন্টের ওপরই দলগুলোর আপত্তি বা নোট অব ডিসেন্ট আছে, সেগুলোর ওপর গণভোট হয় কী করে? অথচ জুলাই সনদ একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল। এর বাস্তবায়ন হতেই হবে। তা গণভোটে হোক আর সংসদে হোক। মনোজাগতিকভাবে বিতাড়িতরা ছাড়া সবাই চায় জুলাইয়ের আইনি, সাংবিধানিক, সামাজিকসহ যাবতীয় স্বীকৃতি। কিন্তু চাওয়ার ফের ও মতবিরোধটা একেবারেই রাজনৈতিক। যে কারণে ক্রমেই এটি ঐক্যের দলিল না হয়ে বিভেদের নতুন দলিলের দিকে ছুটছে। জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়া তৈরির সময়েই বলা হয়েছিল, ‘বিদ্যমান সংবিধান বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর কিছু থাকলে সেই ক্ষেত্রে এ সনদের বিধান/প্রস্তাব/সুপারিশ প্রাধান্য পাবে।’   শুরু থেকেই বিষয়টি সমালোচনার জন্ম দেয়। দেশের সংবিধানও যেখানে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়, সেখানে একটি সনদ বা রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকার কী করে সংবিধানের ঊর্ধ্বে স্থান পেতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। সমালোচনার মুখে এ অঙ্গীকারটি জুলাই সনদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এই সনদ এখন আর সংবিধানের ওপরে নয়। কিন্তু সনদের অঙ্গীকারে এও বলা হয়েছে, এ সনদ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। কেউ যদি সনদের কোনো বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করতে চান, সেই সুযোগ রাখা হয়নি। অবশ্য চূড়ান্ত খসড়ায় বলা ছিল, এই সনদের কোনো বিধান, প্রস্তাব বা সুপারিশের ব্যাখ্যাসংক্রান্ত যে কোনো প্রশ্নের চূড়ান্ত মীমাংসার এখতিয়ার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকবে। কিন্তু এখন যে সনদটি স্বাক্ষরের জন্য তৈরি করা হয়েছে, সেখানে এ বিধানটি বাদ দিয়ে লেখা হয়েছে—‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।’ কঠিন এক বাস্তবতায় জুলাই সনদের অনেক ধারার বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি।   জুলাইকে নিজের মতো বিশ্লেষণ করে নিজের ঘরে ফল নিতে চাচ্ছে দলগুলো। এখানে কে খেলোয়াড়? কে রেফারি—বোঝা মুশকিল। সংবিধান, আইসভা, বিচার বিভাগ, পুলিশ, প্রশাসনসহ নানা ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য জুলাই সনদে ৮৪টি বিষয় রয়েছে। সনদের ৭ নম্বরে সংবিধানের মূলনীতি লেখা হয়েছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি। সনদের ১৪ ও ১৫ নম্বরে প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ এবং একই ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান না থাকার বিধান রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যতবারই হোক সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর থাকতে পারবেন। এজন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। সেইসঙ্গে সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, প্রধানমন্ত্রী পদে বা আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন না। জুলাই সনদ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রস্তাব করেছে এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নেওয়া সবগুলো দল এ বিষয়ে একমত হয়েছে। অর্থাৎ, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের শুরু বলে মনে করা হয়, সেই বিধান ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সবাই একমত।   জুলাই সনদের একটি বড় আলোচনার জায়গা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ। বাংলাদেশের বর্তমান আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট। এটিকে উচ্চ ও নিম্নকক্ষে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং ২৫টি রাজনৈতিক দল এ বিষয়ে একমত হয়েছে। পাঁচটি দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় উচ্চকক্ষের প্রয়োজন নেই। কিছু অমত-দ্বিমত শেষে এখন শুধুই বিরোধ। ঝড়ের মতো চাতুরী-প্রতারণার বিষয়ও চলে এসেছে। বৃহৎ দল বিএনপির জন্য তা অনেকটা কুমিল্লার আঞ্চলিক শ্লোক ‘দেখাইছে মুর্গি, খাওয়াইছে ডাইল’-এর মতো। এর মাঝেই নানা আলোচনা ও নাটকীয় ঘটনার পর দিনটিতেই অবশেষে নির্বাচন কমিশনের সংরক্ষিত নির্বাচনী প্রতীকের তালিকায় যুক্ত হয়েছে ‘শাপলা কলি’। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শাপলা প্রতীকের ব্যাপারে আপসহীন দলটির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপিকে বাড়তি সুবিধা দিতে নির্বাচন কমিশনের এমন অপচেষ্টা। কমিশন এবং এনসিপির রশি টানাটানির মধ্যে ফের কেবল শাপলা নয়; নির্বাচন, সনদ, ঐকমত্য কমিশন সবকিছুতেই ভর করেছে অনিশ্চয়তার বোঝা। কথা এবং দোষারোপে কেউ কাউকে একটুও ছাড়ছে না। বিএনপি-জামায়াত মিলে দেশকে সংকটের মধ্যে ফেলছে বলেও অভিযোগ ছোড়া হয়েছে এনসিপি থেকে। গণভোট আগে না পরে? এটিকে বিএনপি-জামায়াতের কুতর্ক মন্তব্য করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, তারা এ কুতর্কে যাবেন না। কিছু শঙ্কা-সন্দেহ-কানাঘুষা থাকলেও নির্বাচনের মাস তিনেক আগে এমন একটা অবস্থা কাম্য ছিল না। টানা না হলেও মাঝেমধ্যে বিরতি দিয়ে ২৭০ দিন আলোচনার পরও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক চরম অনৈক্য।   প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রথম প্রতিশ্রুতি ছিল—দলগুলো যেসব পয়েন্টে একমত হবে, শুধু সেগুলো নিয়ে সরকার এগিয়ে যাবে। কিন্তু দলগুলো একমত হয়নি এমন বিষয়েও কমিশনের চাপাচাপি বিএনপিকে আহত করছে। বিএনপি যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, সে বিষয়ে আগেই বলে দিয়েছিল, এগুলো বাস্তবায়নের দায়বদ্ধতা তাদের থাকবে না। তারপরও ঐকমত্য কমিশন কেন এগুলো জুলাই সনদে ঢুকিয়েছে—এ প্রশ্নে তারা ঠকবাজি দেখছে। কেওয়াজ বেশি বেধেছে গণভোট নিয়ে। তার ওপর ঐকমত্য কমিশন ঠিক করেছে, আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ। তারপর গণভোট এবং ২৭০ দিনের মধ্যে তা কার্যকর না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংশোধন হয়ে যাবে। এমন সুপারিশ পৃথিবীর কোনো সংবিধান, কোনো আইন, কোনো রাষ্ট্রবিজ্ঞান অ্যালাউ করে না। এ বিধানের অর্থ হলো সংসদ বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সিদ্ধান্ত বা মতামতকে উপেক্ষা করে গণভোটের মতো একটি বিতর্কিত বিধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া। বাংলাদেশে অতীতের তিনটি গণভোটে (১৯৭৭, ১৯৮৫, ১৯৯১) কী হয়েছে; কতজন মানুষ ওইসব ভোটে অংশ নিয়েছে—এ নিয়ে অনেক কথা রয়েছে। জনগণের মতামতের বদলে ওইসব গণভোটে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। কাগজে-কলমে ৮০ থেকে ৯৮ শতাংশ ভোট পড়লেও বাস্তবে ২০ শতাংশ মানুষও যে ভোটকেন্দ্রে যায়নি, সেই তথ্য বিভিন্ন বইপত্রে আছে। এখন একই ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিনই গণভোট বিতর্কে গ্যাঞ্জাম পোক্ত হয়ে তা বিষফোঁড়ার অবস্থা করেছে।   লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন
জঙ্গি সংগঠনগুলোর ন্যারেটিভ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ
২০১৪-২০১৫ সালের দিকে সে পুরোপুরি আল-কায়েদা এক্টিভিস্ট ছিল। ‘হানীন ইলদারম’ নামে লেখালেখি করতো [...]
নয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, পুরানো ভণ্ডামির নতুন দোকান
এদের মৌলিক আদর্শ হচ্ছে, যে কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ বিরোধিতা, যে কোনো অবস্থাতেই ভারত বিরোধিতা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরোধ করা [...]
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতারণা: জনগণের অট্টহাসি ও অবিশ্বাসের প্রতিফলন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রতারণা করে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাকে প্রতারক বলা যায়। প্রতারিত হয়ে বুঝতে পেরে ড. মুহাম্মদ ইউনুস বা তার পারিষদ যতই নীতি কথা বলুক, দেশবাসীরা ফেসবুকে লাইক, লাভ বা হ্যাপি দিয়ে সাড়া দিচ্ছে না [...]
OMR পদ্ধতিতে ডাকসুর নির্লজ্জ ডিজিটাল কারচুপি
ডাকসুতে OMR পদ্ধতিকে বেছে নেওয়া হয়েছে ভোট কারচুপির জন্য। যে পদ্ধতি ব্যবহার করে MCQ পরীক্ষার খাতা যাচাই করা হয় [...]
ইউনুসের বাধায় নতুন রূপে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু
ইতিহাস সাক্ষী থাকবে—কখনও কোনও শাসকের লাঠি, বন্দুক কিংবা মবের তাণ্ডব মানুষের ভালোবাসাকে থামাতে পারে না [...]
বাংলাদেশের সামরিক নির্ভরতা ও নন-ডিসক্লোজার চুক্তির সংকট
বাংলাদেশের সামরিক শক্তি মূলত চীন ও রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল। তবে সাম্প্রতিক একটি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (এনডিএ) এই নির্ভরতাকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করেছে [...]
মানুষই মানুষের অন্তিম আশ্রয়
মানুষ আপনাকে মায়ের পেট থেকে টেনে বের করেছে, এরপর সারাজীবন আপনার যতরকম যা যা সহযোগিতা লাগে সবই আপনাকে মানুষই করেছে, এবং শেষ বিদায়ের [...]
রাজনীতির উনমানুষরাই প্রলাপ ডাকে বেশি
সাম্রাজ্যবাদের চোখ রাঙানির বাইরে পদ্মা সেতু তৈরি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি—যা সাম্রাজ্যবাদ ভালো চোখে দেখেনি [...]
কারাগারের গেটে স্ত্রী-সন্তানের লাশ: একটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের চিত্র
সাদ্দামের ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। এটি বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান একটি ভয়াবহ প্রবণতার চরম প্রকাশ – বিচারবিহীন দীর্ঘ আটককে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার [...]
একতারার কান্না ও অঙ্গার হওয়া শৈশব: বাংলাদেশ কি তবে অন্ধকারের মরণফাঁদে?
বাউলদের একতারা ভাঙা থেকে শুরু করে ছায়ানটের শিশুদের অঙ্কন খাতা পুড়িয়ে দেওয়া—সবই একই সুতোয় গাঁথা এক বিষাক্ত নীল নকশা [...]
একজন স্কুলছাত্রের গ্রেপ্তার: শিশু অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন
কুলাউড়ায় একজন স্কুলছাত্রকে ফেসবুকে ভিডিওর মাধ্যমে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া এবং শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন জানানোর কারণে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে [...]
ভাড়ায় চাপাতি ও মোটরসাইকেল: রাজধানীর অপরাধ জগতের ভয়াবহ নতুন রূপ
‘চাপাতি ও মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাওয়া যায়’—এমন একটি বাক্য শুধু কোনো সংবাদ নয়, বরং রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর একটি অভিযোগপত্র [...]
মব ভায়োলেন্স প্রতিরোধে সদিচ্ছার অভাব
যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে, তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সামাজিকভাবেও এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করতে হবে [...]
নারীশিক্ষা বনাম বাল্যবিয়ে
২০২৪ সালের মার্চ মাসে পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, বাল্যবিয়ের হার ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে ৫১.৪০ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ [...]
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম মব সন্ত্রাস
ভিন্নমতকে গ্রহণ করার উদারতা কমতে কমতে মানুষ ভিন্নমত, চিন্তা ও  ধর্মকে কোণঠাসা করে নাগরিকদের মধ্যে বিভাজন শুরু করে দিয়েছে [...]
মব সন্ত্রাস / বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও সামাজিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সংকট
নরসুন্দর বাবা-ছেলের ওপর ‘ধর্মীয় অবমাননার’ অভিযোগ তুলে যেভাবে মব সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, তা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য মারাত্মক হুমকি [...]
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বনাম প্রেস সচিব: বিশ্বাসযোগ্যতা সংকটে সরকার
মিয়ানমারের সাথে মানবিক করিডোর ইস্যুতে তাদের এই দ্বিমুখী অবস্থান সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে [...]
বীর উত্তম আবদুস সালেক চৌধুরী: আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছিল যাঁর সাহস
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ (১৯৭১) ইতিহাসে কয়েকজন নাম এমন যে, তাদের সাহস, নেতৃত্ব ও বলিদানের কথা শুনলে রোমাঞ্চ হয়ে ওঠে। এর মধ্যে বীর উত্তম আবদুস সালেক চৌধুরীর নাম এক অনন্য স্থান দখল করে আছে [...]
শহীদ বুদ্ধিজীবী / মহসিন আলী
প্রগতিশীল ও মুক্তিকামী শিল্পী-কলাকুশলীদের সঙ্গে শহীদ মহসিন আলীর সখ্য ছিল। [...]
শহীদ বুদ্ধিজীবী / আবুল বাশার মহিউদ্দিন আহম্মদ
শহীদ এ বি মহিউদ্দিন আহম্মদের জন্ম ১৯২৮ সালে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পানান গ্রামে। [...]
শহীদ বুদ্ধিজীবী / ফাদার লুকাশ মারান্ডি
ফাদার লুকাশ মারান্ডি জীবনের পুরোটা সময় মানুষের সেবা ও ধর্মীয় শিক্ষাদান করেছেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী / স্বদেশ প্রসাদ বসু মজুমদার
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানিকগঞ্জ মহকুমায় শিক্ষক স্বদেশ প্রসাদ বসু মজুমদার ছিলেন পরিচিত মুখ। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন শুরু থেকেই। মানিকগঞ্জে একাত্তরের মার্চে বাংলাদেশের পতাকার সঙ্গে কালো পতাকা ওড়ানো এবং পাকিস্তানি পতাকা পোড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাজাকার ও হানাদার সেনারা। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাও করা হয়। হানাদার সেনারা তাঁকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। শহীদ স্বদেশ প্রসাদ বসুর জন্ম ১৯১৪ সালে ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের শ্রীবাড়ির জমিদার পরিবারে। তাঁর বাবা কামাখ্যাপ্রসাদ বসু মজুমদার ছিলেন জমিদার। মা জ্যোতির্ময়ী মজুমদার গৃহিণী। তাঁরা ছিলেন দুই ভাইবোন। স্বদেশ বসু ১৯৩৬ সালে ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেন। এলাকায় সাংস্কৃতিক চর্চা ও বিকাশে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন। একাত্তরের ২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস। এ উপলক্ষে সারা বাংলাদেশের মতো মানিকগঞ্জেও পাকিস্তানি পতাকার পরিবর্তে বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা উত্তোলনের জোর তৎপরতা চালানো হয়। স্বদেশ বসু মানিকগঞ্জ মহকুমা আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। শিবালয় সিও (সার্কেল অফিসার) অফিসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনে তিনি সাহসী ভূমিকা রাখেন। দৌলতপুরের খলসি ইউনিয়ন পরিষদের পতাকা উত্তোলনের সময়ও স্বদেশ বসু উপস্থিত ছিলেন। একাত্তরের ৮ এপ্রিল মানিকগঞ্জে হানাদার বাহিনী প্রবেশ করলে স্বদেশ বসু আত্মগোপন করেন। জুন মাসের শেষের দিকে তিনি তাঁর গ্রামের ক্ষীতিশ বসুর বাড়িতে আশ্রয় নেন। স্থানীয় রাজাকাররা বিষয়টি জেনে যায়। তারা ক্ষীতিশ বসু ও স্বদেশ বসুকে আটক করে হানাদার সেনাদের হাতে তুলে দেয়। ঘাতক সেনারা ১ জুলাই রাতে হাত বেঁধে তাঁদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া সেতুর কাছে এনে বেয়নেট দিয়ে নির্মমভাবে খুঁচিয়ে আহত করে ফেলে রেখে যায়। স্বদেশ বসু মজুমদার সেখানেই শহীদ হন। ক্ষীতিশ বসু গুরুতর আহত হলেও সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে তথ্য চেয়ে বিজ্ঞাপন ছাপা হলে মানিকগঞ্জ সদরের খাবাশপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের বাংলার প্রভাষক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্বদেশ প্রসাদ বসুর ছবি ও তথ্য পাঠান। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নিয়ে তাঁর মাঠপর্যায়ে গবেষণার তথ্য নিয়ে প্রকাশিত স্মৃতি ও শ্রুতিতে মানিকগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধ বইতে এবং আশির দশকে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফ উদ্দিন আহমদ সম্পাদিত মানিকগঞ্জ জেলার ইতিহাস বইতে স্বদেশ বসুর জীবন ও কর্ম স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া অধ্যক্ষ মুহম্মদ সায়ীদুল হক সম্পাদিত সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ইতিহাস বইতেও তাঁর জীবনকর্ম রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানকে সম্মান জানাতে ২০১৩ সালে ঘিওর-শ্রীবাড়ির সড়কের নামকরণ করা হয় ‘শহীদ স্বদেশ বসু সড়ক’। স্বদেশ বসুর একমাত্র সন্তান শংকর প্রসাদ বসু মজুমদার অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি জানান, দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর মা বিভাবতী বসুকে সমবেদনা জানিয়ে চিঠি ও নগদ দুই হাজার টাকা অনুদান পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো তাঁর বাবার নাম বুদ্ধিজীবী হিসেবে সরকারি তালিকাভুক্ত হয়নি। মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেন, স্বদেশ বসুকে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। প্রথম প্রকাশ: প্রথম আলো
শহীদ বুদ্ধিজীবী / রিয়াছত আলী
শহীদ রিয়াছত আলী রাজনীতিতে ছিলেন সক্রিয়। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের (ভাসানী) প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। [...]
শহীদ বুদ্ধিজীবী / প্রদীপ কুমার দাস
তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা দিলীপ কুমার দাস ছিলেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা।
শহীদ বুদ্ধিজীবী / শেখ হাফিজুল হক হিরু মিয়া
আটক শেখ হাফিজুল হকসহ আটজনকে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে।
ঋণের বোঝায় বাড়ছে আত্মহত্যা: অর্থনৈতিক সংকটের ছায়ায় এক চলমান মানবিক বিপর্যয়
বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহুরে জীবনযাত্রায় ঋণ একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই ঋণ, যা প্রথমদিকে আশার আলো বলে মনে হয়, প্রায়ই গলার ফাঁসে পরিণত হচ্ছে [...]
ঋণের সামাজিক প্রভাব: একটি গভীর সংকটের ছায়া
এনজিও বা স্থানীয় সুদকারবারিরা প্রায়ই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে কিস্তির জন্য চাপ দেয়, যা প্রকাশ্যে অপমানের কারণ হয় [...]
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ভূতের আক্রমণ
৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পুঁজিবাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণকারী না থাকাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও আস্থার ফলে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি পায় [...]
জলবায়ু পরিবর্তনে বিপর্যস্ত চাল উৎপাদন
বিশ্বের ৯০ শতাংশ চাল উৎপন্ন হয় এশিয়ায়। কিন্তু অঞ্চলটি খরাপ্রবণ। [...]
যেসব অঞ্চলে আগামী ৫ দিন বৃষ্টি হতে পারে
সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। [...]
ঢাকায় আজও বইছে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস
আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়। [...]
রং হারিয়ে ঝুঁকিতে বিশ্বের অধিকাংশ প্রবালপ্রাচীর
এটাকে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রবাল ব্লিচিংয়ের ঘটনা বলে অভিহিত করেছে সংস্থাটি। [...]
বিশ্ব পানি দিবস, কেন পালন হয় জানেন তো?
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তথ্যমতে, বিশ্বের প্রায় ৭৭ কোটির বেশি মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। [...]
ডিজিটাল দাসত্ব: মনোযোগ অর্থনীতি ও জ্ঞান পুঁজিবাদে তরুণ প্রজন্মের মননশীলতার অবক্ষয়
মনোযোগ অর্থনীতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে শিক্ষাক্ষেত্র। শিক্ষা মূলত মনোযোগের দীর্ঘস্থায়ী চর্চা, গভীর চিন্তা এবং ধৈর্যের ওপর নির্ভরশীল [...]
কোপার্নিকাস: আলো হয়ে জন্ম নেওয়া বৈপ্লবিক মতবাদের প্রবর্তক
নিকোলাস কোপার্নিকাস অন্ধকার ও অজ্ঞতার যুগে আলো হয়ে জন্ম নেওয়া এক মহান বিজ্ঞানী। যিনি পর্যবেক্ষণ করে গেছেন আকাশের গ্রহ, তারার গতিবিধি [...]
নতুন আতঙ্ক জিকা ভাইরাস : করণীয় কী?
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতোই জিকা ভাইরাসও এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি আগামী দিনে আরেকটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি [...]
মিথ্যা তথ্যের জালে নতুন প্রজন্ম!
যদি স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা জ্ঞানভিত্তিক বিভ্রমের শিকার হয়, তবে বাংলাদেশ একটি অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে [...]
জসীম উদ্‌দীন ও বাংলা-বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ
জসীম উদ্‌দীন (১৯০৩-১৯৭৬) বাংলা ও বাঙালির কথা আপন ভাষায় কাব্য রচনা করে বিখ্যাত হয়ে আছেন। [...]
হাসান হাফিজুর রহমানের হাতে স্বাধীনতার দলিল
হাসান হাফিজুর রহমানের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দলিল তেমন এক পরম্পরা।
বাংলাদেশ বাহিনীর ইতিহাস
১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচটি বাঙালি রেজিমেন্ট ছিল। [...]
ন্যানো-বালাইনাশক: ফসল ও পরিবেশ সুরক্ষায় নব-বিপ্লব
বর্তমানে বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশ এবং পরিবেশ দূষণ বালাইনাশক শিল্পের টেকসই উন্নয়নের অন্তরায় [...]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সহিংসতার নতুন উচ্চতা / মব হত্যা দ্বিগুণ, অজ্ঞাত লাশ বেড়েছে, সংখ্যালঘু নির্যাতন তীব্র

জঙ্গি সংগঠনগুলোর ন্যারেটিভ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তির আহ্বান ও শ্বাশত মুজিব’

সবচেয়ে উঁচুতে দাঁড়িয়ে ‘বীর’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জয় বাংলা’

ফরিদপুর স্টেডিয়াম বধ্যভূমি

ইতিহাসের সাক্ষী ঝিনাইদহের ‘প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ ফলক’

স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য / রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ

পবিপ্রবির ‘মুক্ত বাংলা’: উপকূলীয় জনপদে স্বাধীনতার অবিনাশী প্রতীক

কারাগারের গেটে স্ত্রী-সন্তানের লাশ: একটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের চিত্র

১০

ঔপনিবেশিক আমলে বাঙালি নারী ও তাদের বিলাতযাত্রা

১১

নির্বাচনের মাঠে ধর্মের কার্ড: গণতন্ত্রের জন্য হুমকি?

১২

নারী ভোটারদের এনআইডি কপি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ আশঙ্কাজনক: মাহদী আমিন

১৩

সরকারের কাছে পাওনা ৪ হাজার কোটি টাকা / অর্থাভাবে বন্ধ হতে পারে বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

১৪

নয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, পুরানো ভণ্ডামির নতুন দোকান

১৫

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ের উদ্যোগ বন্ধ হোক

১৬

জামায়াতে ইসলামী অনুতপ্ত নয় একাত্তরের জন্য ক্ষমা চায়নি

১৭

নিজে নিজে না নিভলে নেভে না যে আগুন

১৮

বৈষম্যের অভিশাপ / নতুন প্রজন্ম কি কেবলই একটি ‘বন্দি’ প্রজন্ম?

১৯

ঋণের বোঝায় বাড়ছে আত্মহত্যা: অর্থনৈতিক সংকটের ছায়ায় এক চলমান মানবিক বিপর্যয়

২০
লেখক সার্চ
অনুসন্ধান