ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

অ্যালোভেরা কি সত্যিই ব্রণ দূর করে?

প্রিয়ভূমি ডেস্ক
২৩ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৪ পিএম
০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
অ্যালোভেরা

ব্রণ সবচেয়ে পরিচিত ত্বকের সমস্যা। যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অতিরিক্ত তেল উৎপাদন, ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের মতো কারণে ঘটে। যদিও এর জন্য অসংখ্য চিকিৎসা পাওয়া যায়, তবে অ্যালোভেরা জেলের মতো প্রাকৃতিক প্রতিকার প্রশান্তিদায়ক এবং প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কিন্তু অ্যালোভেরা কি সত্যিই ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ব্রণ কমাতে অ্যালোভেরার উপকারিতা

অ্যালোভেরা তার ত্বক-নিরাময়কারী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি ব্রণ-প্রবণ ত্বকের জন্য উপকারী হতে পারে। এতে পলিস্যাকারাইড, জিবেরেলিন এবং স্যালিসিলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে, ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে এবং ত্বকের নিরাময়ে সাহায্য করে।

প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব

অ্যালোভেরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন এ, সি এবং ইও রয়েছে যা ব্রণের কারণে সৃষ্ট ত্বকের জ্বালা প্রশমিত করতে সাহায্য করে। জার্নাল অফ ডার্মাটোলজিক্যাল ট্রিটমেন্টে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরা জেল ব্রণের ক্ষতে প্রদাহ এবং লালচেভাব হ্রাস করে।

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং নিরাময়কারী বৈশিষ্ট্য

অ্যালোভেরা তার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং নিরাময়কারী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরা ব্রণর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনেসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব ফেলে। অ্যালোভেরায় অ্যালোসিনের উপস্থিতি ব্রণ-পরবর্তী দাগ এবং দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে।

প্রচলিত চিকিৎসার সঙ্গে সম্মিলিত উপকারিতা

গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরা এবং ট্রেটিনোইন (একটি সাধারণ ব্রণ চিকিৎসা) এর সংমিশ্রণ শুধুমাত্র ট্রেটিনোইনের তুলনায় ব্রণের কমানোর প্রক্রিয়া আরও কার্যকরভাবে উন্নত করে। এটি প্রমাণ করে যে, অ্যালোভেরা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার কার্যকারিতা বাড়াতে পারে।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৬ এপ্রিল ১৯৭১: শপথের প্রতীক্ষা ও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ

মুজিবনগর ও আমাদের প্রথম সাংবিধানিক পরিচয়

১২ এপ্রিল ১৯৭১: সরকারের পূর্ণাঙ্গ অবয়ব ও বালারখাইলের রক্তাক্ত ট্র্যাজেডি

রক্ষাকালী মন্দির গণহত্যা: পাবনার এক রক্তাক্ত অধ্যায়

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম ভাষণ

১১ এপ্রিল ১৯৭১: তাজউদ্দীন আহমদের ভাষণ ও সংগঠিত প্রতিরোধের সূচনা

১০ এপ্রিল ১৯৭১: বাংলাদেশের প্রথম সরকার ও স্বাধীনতার সনদ

১০ এপ্রিল ১৯৭১: যখন যুদ্ধের অন্ধকারে জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আইনি সূর্য

০৫ এপ্রিল ১৯৭১: বহুমুখী যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

৩১ মার্চ ১৯৭১: নাথপাড়ার রক্তগঙ্গা ও বিশ্ববিবেকের গর্জন

১০

৩০ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও বিশ্ববিবেকের জাগরণ

১১

ইতিহাসের অবিনশ্বর নক্ষত্র: শহীদ শাফী ইমাম রুমী

১২

২৯ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও আত্মাহুতির এক নৃশংস অধ্যায়

১৩

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা,আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ

১৪

২৮ মার্চ ১৯৭১: ধ্বংসযজ্ঞের ছাপ আর বাঙালির সুসংগঠিত প্রতিরোধ

১৫

২৭ মার্চ ১৯৭১: বিশ্ব জানল, বাংলাদেশ স্বাধীন

১৬

২৬ মার্চ ১৯৭১: একটি জাতির রক্তক্ষয়ী সূর্যোদয় ও স্বাধীনতার ঘোষণা

১৭

গণহত্যার বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ / ২৫শে মার্চের কালরাত্রি স্মরণে প্রাচ্যনাটের ‘লালযাত্রা’

১৮

২৫ মার্চ, ১৯৭১: ইতিহাসের কলঙ্কিত কালরাত ও বিভীষিকাময় গণহত্যা

১৯

২৪ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন আর চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিন

২০