ঢাকা রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

অবশেষে ‘ঠাণ্ডা-লড়াইয়ে’ জয়ী ওয়াকার!

মনজুরুল হক
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। ছবি এআই

‘Winning a war without arms!’—এই সামরিক প্রবাদ অনুসারে, গত পনেরো মাস ধরে সেনানিবাসে বিগত সরকার পতনের ‘অন্যতম কুশীলব’ জেনারেল ওয়াকার, বাহিনীতে তাঁর সমর্থিত অংশ, ইন্টেরিম সরকারপ্রধানের সঙ্গে ‘শত্রু-শত্রু খেলা’, বিগত সরকারপন্থীদের কোণঠাসা করা, র‌্যাডিক্যাল ইসলামপন্থী তথা বিএনপি-জামায়াত-ইউনূস-এনসিপি-পন্থী অংশের মধ্যে যে নীরব ‘টাগ অব ওয়ার’ চলছিল, তাতে জয়ী হলেন জেনারেল ওয়াকার। যে পদ্ধতিতে তিনি জয়ী হলেন, তার নাম দেওয়া যেতে পারে—‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা’।

একটি অতিরিক্ত ক্ষমতাবহির্ভূত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং তাদের জারিকৃত বিশেষ অর্ডিন্যান্সের আওতায় বিগত সরকারের আমলে গুম, খুন, আয়নাঘরে নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়েরকৃত তিনটি মামলায় ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছিল। সেনাসদর অভিযুক্তদের আদালতে না পাঠিয়ে সেনা হেফাজতে রেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, তারা নিজস্ব আইনবিদদের পরামর্শে ICT-এর ওয়ারেন্ট চ্যালেঞ্জ করবেন। এছাড়াও ধারণা করা হচ্ছিল, সেনাবাহিনীর সুনাম রক্ষার্থে এবং অধিকাংশ সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে ওয়াকার নিজের ‘মধ্যপন্থী’ ইমেজ ধরে রাখতে ইন্টেরিম প্রধানের সঙ্গে সমঝোতা করে একটি সুরাহা করবেন। তবে তা হয়নি। নির্দিষ্ট দিনে, অর্থাৎ ২২ অক্টোবর, অভিযুক্তদের মধ্যে ১৫ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাদের সবাইকে সেনানিবাসের ‘সাব-জেলে’ পাঠিয়েছে। এর আগে অভিযুক্তদের চাকরি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, একটি অর্ডিন্যান্সের আওতায় তারা এখন বরখাস্তকৃত সেনা কর্মকর্তা!

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, জেনারেল ওয়াকার এই পরিস্থিতি এড়াতে পারতেন কি না? উত্তর খোঁজার আগে বোঝা দরকার, তিনি আদৌ এটি এড়াতে চেয়েছিলেন কি না? ঘটনাপ্রবাহ বলছে, তিনি এড়াতে চাননি! অর্থাৎ, তাঁর দাবার বোর্ডে সাদা ঘোড়া আড়াই চালে কালো রাজাকে খেয়ে ফেলেছে। তাঁকে যারা নিরপেক্ষ, লীগের প্রতি নরম, শেখ হাসিনাকে নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ দিয়েছেন, ইন্টেরিমের ‘রক্তাক্ত’ করিডোর দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন, ডিসেম্বরেই নির্বাচন চেয়েছিলেন, একাধিক বিচারকসহ লীগের শীর্ষ নেতাদের নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, একাধিকবার ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর পরামর্শ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন, তারা এবার মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে পারেন।

১. ৫ আগস্ট কারফিউ ভেঙে গণভবন ঘিরে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে উদ্যত জনতাকে প্রতিহত করতে ওয়াকার আদেশ দেননি। বরং ব্যারিকেড খুলে এনএসএফ সরিয়ে নেন।

২. ৩ আগস্ট তিনি বলে দেন, ‘সেনারা ছাত্রদের ওপর গুলি চালাবে না।’ ৪ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, “আমার ওপর আস্থা রাখুন, কিছুই হবে না, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব, আপনার সুরক্ষার দায়িত্ব আমার জিম্মায়।”

৩. ভারতের এনএসএ অজিত দোভাল ও সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর ফোন পেয়ে সেনারা যখন শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ব্যবস্থা করছেন, তখন তিনি জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।

৪. ৫ আগস্ট তিনি ঘোষণা দিয়ে জাতির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে সবার আগে ডাকেন জামায়াতকে, ভাষণেও জামায়াতের নাম আগে বলেন। অভ্যাসবশত ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ বলে পরক্ষণে সংশোধন করে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ বলেন।

৫. ৮ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসকে বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্রহণ করেন। প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। ইউনূসের ব্যক্তিগত পছন্দের লোকজন নিয়ে গঠিত সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে ইউনূসের পক্ষ নেন। এরপর থেকে সরকারের সব কাজে সমর্থন দেন।

৬. ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাঁর চোখের সামনে দেশে অভূতপূর্ব নৈরাজ্য চলে। সারা দেশে লীগসহ ১৪ দলের নেতা-কর্মীদের হত্যা, জখম, গ্রেপ্তার, জেল, জুলুম চলে। ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে সারা দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সেক্যুলারিজমের প্রতীক সব ভাস্কর্য, ম্যুরাল, মূর্তি, অবকাঠামো ধ্বংসের ঘটনায় কোনো বাধা দেননি। কোথাও কোথাও সেনা সদস্যরাও এসব ভাঙচুরে অংশ নিয়েছেন। তিনি নির্বিকার ছিলেন।

৭. ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাদের সামনে এক ভাষণে ‘I had enough is enough’ বলে জাতির বিবেকের ভূমিকা নেন। এর মধ্যে ইউনূস সরকার ও এনসিপি তাঁকে এবং প্রেসিডেন্টকে একাধিকবার সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি নির্বিকার থাকেন। তিনি রাশিয়া সফরকালে ইউনূস খলিলুর রহমানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা’ নিয়োগ দেন, যার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল—‘ওয়াকারকে সরিয়ে দেওয়া’। এরই অংশ হিসেবে এনসিপি ও এবি পার্টির নেতারা তাঁকে বিশ্রী ভাষায় কটূক্তি করেন, তিনি অসীম ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে নীরব থাকেন।

৮. যমুনায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূসের দফায় দফায় বৈঠক হয়। জামায়াত নেতারা সেনাপ্রধানের ডাকে ছুটে গিয়ে সেখানে বৈঠক করেন। বৈঠকের খবর দুই দিনেও প্রকাশ হয়নি। ইউনূসের ‘পদত্যাগ নাটক’ শেষ হলে ওয়াকার ২২ মে আলটিমেটাম দিয়ে মনে করেন, ‘ডোজটা কি কড়া হয়ে গেল!’ তাই ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করেন। আইন করে আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সচিব-কর্মকর্তাদের খেদিয়ে ছাত্রদের মধ্য থেকে কর্মকর্তা নিয়োগ, লীগ আমলের চাকরিতে যোগ দেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুতি, জামায়াতের নেতা এটিএম আজাহারের বিশেষ আদালতে ফাঁসির দণ্ড মওকুফ এবং বেকসুর খালাস—তিনি কিন্তু নির্বিকার।

মুহাম্মদ ইউনূস আমেরিকান ডিপ স্টেটের মনোনীত ‘পাপেট’। ডিপ স্টেট ওয়াকারের সমর্থন ছাড়া একজন সিভিলিয়ানকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না। সুতরাং, ইউনূসকে বসানো, তাকে দিয়ে ডিপ স্টেটের উদ্দেশ্য পূরণের সব পরিকল্পনায় ওয়াকারও ‘তাদের লোক’। ইউনূস-ওয়াকার দ্বন্দ্ব দৃশ্যমান মনে হলেও দিন শেষে কোনো বৈরিতা নেই। ইউনূস ভারতকে খোঁচা দিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট উসকে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের কার্ড খেলে নির্বাচন অনিশ্চিত করে ডিপ স্টেটের অসমাপ্ত কাজগুলো করবেন। সেটাকে ‘কাভার আপ’ করবেন ওয়াকার, ভারতকে আস্থায় রেখে, ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে সুসম্পর্ক ধরে রেখে। কার্যত দুজনের স্বার্থ এক এবং অভিন্ন। দুজনেই ডিপ স্টেটের প্রিয়পাত্র।

ওয়াকার বহুবার বলেছেন, “তাঁর কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই।” এই কথাটি বারবার প্রচার করার মানে, অবশ্যই উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। ধরা যাক, ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলো না। দেশে একটি গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হলো। সব কিছু পিছিয়ে গেল অনির্দিষ্টকালের জন্য। এর মধ্যে ২০২৭ সালের ২২ জুন ওয়াকারের সেনাপ্রধানের মেয়াদ শেষ হবে। তখন তিনি ইউনূস ও এনসিপি মিলে বিএনপি-জামায়াতের পর তৃতীয় বৃহত্তম দল গড়তে পারেন। হতে পারে না? রাজনীতিতে ‘শেষ’ বা ‘শূন্যস্থান’ বলে কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার থাকাকালীন তিনি রাজনীতির হাতি-ঘোড়া, উজির-নাজির সবাইকে দেখেছেন। তাই এই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

দেশপ্রেম, দেশরক্ষার শপথ, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ—এসব আবেগমিশ্রিত ব্যুরোক্র্যাটিক টুলস মাত্র। টাকা এবং ক্ষমতার পাল্লায় এগুলো মূল্যহীন। হিউম্যান ফিলোসফির অন্যতম কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য হলো ক্ষমতা। সেটা যদি রাষ্ট্রক্ষমতা হয়, তাহলে এর সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। ‘পাকিস্তানের আদলে’ গড়ে ওঠা বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা যে রাষ্ট্রক্ষমতা প্রত্যাশী, সেটা এ দেশে অনেকবার প্রমাণিত। রাজনীতি ‘অ’-‘আ’ পড়তে পারা মানুষও জানেন, জেনারেল ওয়াকার সমর্থন তুলে নিলে মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার এক মুহূর্তও টিকবে না। ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে জেলে পাঠানোর পরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে এখনই অনুমান করা যাবে না। তবে ইন্টেরিম যেমনটা সাজিয়ে রেখেছে, সবকিছু সেভাবেই ঘটবে—মনে করার কারণ নেই।

প্রথমত, যে সাতজন র‌্যাব সদস্যের শাস্তির উল্লেখ টানা হচ্ছে, তাদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত ছিল। এখন অভিযুক্তদের যে অপরাধে জেলে পাঠানো হলো, সেই একই অপরাধে ২০০৪ সালে গঠিত র‌্যাব-এর এক্সট্রা-জুডিশিয়াল কিলিং, অপারেশন ‘ক্লিন হার্ট’, ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত RAB, DGFI, SB, DB, তথাকথিত ‘বাংলাভাই’কে সমর্থন দেওয়া সেনা-পুলিশ কর্মকর্তারাও কেন অপরাধী হবেন না, সেই প্রশ্ন উঠবে না কেন? চাকরিরত অবস্থায় শপথ ভঙ্গ করে বিগত সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড কেন অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না? ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলির কারণে সেনা কর্মকর্তারা দোষী সাব্যস্ত হলে, তাদের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে সেনাপ্রধান কেন অভিযুক্ত হলেন না? কোনোভাবে বিগত সরকার টিকে থাকলে, বিদ্যমান সরকারের বিপক্ষে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ নেওয়ায় ওয়াকার বরং পদ হারাতে পারতেন।

দেশের ইতিহাসে ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগ প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। তা ছাড়া, দেশে যতবার সরকার বদল হয়েছে, তার প্রায় সব ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী জড়িত ছিল, যা সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর আওতায় রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ। ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত জীবনযাপন করলেও কখনো জনগণের পক্ষে কাজ করেনি। ধর্মাশ্রয়ী কূপমণ্ডূকতা, সেনা সংস্কৃতি ছাপিয়ে ধর্মবিশ্বাসের চর্চাকারী ‘দুধের মাছি’ এই সেনাবাহিনীর হাতে দুজন রাষ্ট্রপ্রধানসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং সাধারণ জনগণকে প্রাণ দিতে হয়েছে। এমন একটি বাহিনীর একাংশকে নিজেদের জিঘাংসা মেটানোর জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে একই ধরনের অপরাধ আমলে না নেওয়া আইনের ব্যত্যয়।

১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে জেলে পাঠানোর পর সেনানিবাসে কী ঘটতে পারে, তা জনগণ অনুমান করতে পারবে না। তবে সাধারণভাবে অনুমান করা যায়, দেশরক্ষা বাহিনীর মধ্যে দেশের প্রতি, চেইন অব কমান্ডের প্রতি যতটুকু প্রতিশ্রুতি ছিল, তাতে চিড় ধরবে। গত পনেরো মাসে নিখুঁত ছক কষে সেনাবাহিনীকে দলাদলিতে লিপ্ত করে দুর্বল ও বিশৃঙ্খল করা হয়েছে। এবার সেনা-পুলিশ কর্মকর্তাদের জেলে পাঠিয়ে কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকা হলো। এর উদ্দেশ্য যদি ‘দেশরক্ষার বিশেষ মিলিশিয়া বাহিনী’ গঠন করা হয় (যা কয়েকজন উপদেষ্টা প্রায়শই বলেন), তাহলে বোঝা যায়, দেশের সামনে ঘোরতর দুর্দিন ঘনিয়ে আসছে। এটি বাংলাদেশকে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়ার চেয়েও ভয়াবহ রুয়ান্ডার কাতারে নিয়ে যাবে। এবং বিদ্যমান দলগুলোর পক্ষে দেশ বাঁচানো সম্ভব হবে না, কারণ তারাই এর হোতা।

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ের উদ্যোগ বন্ধ হোক

জামায়াতে ইসলামী অনুতপ্ত নয় একাত্তরের জন্য ক্ষমা চায়নি

নিজে নিজে না নিভলে নেভে না যে আগুন

বৈষম্যের অভিশাপ / নতুন প্রজন্ম কি কেবলই একটি ‘বন্দি’ প্রজন্ম?

ঋণের বোঝায় বাড়ছে আত্মহত্যা: অর্থনৈতিক সংকটের ছায়ায় এক চলমান মানবিক বিপর্যয়

ঋণের সামাজিক প্রভাব: একটি গভীর সংকটের ছায়া

অবশেষে ‘ঠাণ্ডা-লড়াইয়ে’ জয়ী ওয়াকার!

উন্নয়নের ‘আইএমএফ মডেল’ থেকে বেরিয়ে আসা যে কারণে জরুরি

জুলাই ঝুলিয়ে হ্যাঁ-না জটিলতা

শালীনতা-অশালীনতা যখন বোঝার বিষয়

১০

জুলাই সনদ ও গণভোট: গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপির সতর্ক অবস্থান

১১

একতারার কান্না ও অঙ্গার হওয়া শৈশব: বাংলাদেশ কি তবে অন্ধকারের মরণফাঁদে?

১২

রাজনীতির দাবা খেলা / নিয়োগকর্তারা সব চলে গেলেন, কিন্তু নিয়োগ বহাল থাকল

১৩

মহান বিজয় দিবস: গৌরবের দিনে প্রশ্নের ছায়া

১৪

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ের এক ঘটনাবহুল দিন

১৫

পরের নোবেলটি কার? ইউনুস না শফিক?

১৬

এই পতাকা কাদের? / কে চেয়েছে এই পতাকা???

১৭

এখন আমাদের ত্রাণকর্তা কে? / ইউনুস, ডোভাল না রজার???

১৮

৪ অক্টোবর ১৯৭১: বিনা শর্তে বঙ্গবন্ধুর মুক্তি দাবি মধ্যপ্রদেশের বিধানসভায়

১৯

১ অক্টোবর ১৯৭১: রায়পুরের রাজাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গেরিলাদের আক্রমণ

২০