ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মুক্ত ভাবনামুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

৬ জুলাই ১৯৭১: মুক্তাঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের শপথ, পাকিস্তানের মিথ্যাচার ও কিসিঞ্জারের অবরুদ্ধ যাত্রা

প্রিয়ভূমি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
৬ জুলাই ১৯৭১: মুক্তাঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের শপথ, পাকিস্তানের মিথ্যাচার ও কিসিঞ্জারের অবরুদ্ধ যাত্রা

১৯৭১ সালের ৬ জুলাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বহুমাত্রিক ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। একদিকে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের মুক্তাঞ্চলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা চূড়ান্ত বিজয়ের প্রত্যয়ে ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ করছিলেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র জনক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছিল। রণাঙ্গনে একদিকে যেমন পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরোচিত গণহত্যা চলছিল, তেমনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণে পর্যুদস্ত হচ্ছিল শত্রুসেনারা।

১. মুক্তাঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের ঐতিহাসিক কনফারেন্স ও শপথ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে মুক্তাঞ্চলের একটি অজ্ঞাত স্থানে ৬ জুলাই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দুই দিনব্যাপী এক ঐতিহাসিক কনফারেন্স শুরু হয়।

অংশগ্রহণ: কনফারেন্সে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ১৩৫ জন (MNA) এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৯ জন (MPA)—সর্বমোট ৩৭৪ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।

দৃঢ় সংকল্প: জনপ্রতিনিধিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের সম্পূর্ণ সীমানা মুক্ত করার দৃঢ় শপথ নেন। তাঁরা ইসলামাবাদের সামরিক জান্তার সঙ্গে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাব একবাক্যে নাকচ করে দেন।

নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি: এই গুরুত্বপূর্ণ কনফারেন্সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের (মুজিবনগর সরকার) মন্ত্রীবর্গসহ উপস্থিত ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ কর্নেল এম এ জি ওসমানী। (৭ জুলাই এই কনফারেন্স সমাপ্ত হয়)।

২. ভারতে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের মুখোমুখি

পাকিস্তানি জান্তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিবাদে ৬ জুলাই ভারতে এসেছিলেন মার্কিন প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা। তবে দিল্লিতে ও মুম্বাইয়ে তাঁরা নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের মুখে পড়েন।

হেনরি কিসিঞ্জার: মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার দুই দিনের সফরে দিল্লিতে পা রাখামাত্রই প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে সমবেত কমিউনিস্ট পার্টির হাজারো নেতাকর্মীর কালো পতাকাধারী প্রতিবাদের মুখে পড়েন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় চারপাশ থেকে স্লোগান ওঠে—‘মৃত্যুর কারবারি কিসিঞ্জার, ফিরে যাও, ফিরে যাও’, ‘পাকিস্তানে অস্ত্র পাঠানো, বন্ধ করো, বন্ধ করো’।

স্পিরো অ্যাগ্নিউ: কুয়েত যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ের সান্তাক্রুজ বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট স্পিরো অ্যাগ্নিউ। সেখানে প্রায় দুই হাজার ডক ও বন্দর শ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল (CPI, PSP, SSC) সম্মিলিতভাবে মার্কিন নীতি ও অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

৩. আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া, কূটনৈতিক যুদ্ধ ও পাকিস্তানের মিথ্যাচার

যুক্তরাজ্যের অবস্থান ও পাকিস্তানের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, বিবিসি ও গণমাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো প্রচারণার বিরুদ্ধে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে যে প্রতিবাদ জানিয়েছিল, ব্রিটিশ সরকার তা স্পষ্ট ভাষায় অগ্রাহ্য করে। ব্রিটেন পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সাহায্য দেওয়া হবে না। এদিকে, চার সদস্যের ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দল ভারত ও পাকিস্তান সফর শেষে বাংলাদেশে যে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল, তার বিবরণ প্রকাশ বা সম্প্রচার পাকিস্তান সরকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে।

আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরদার শরণ সিং লোকসভায় জানান, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ২৫ মার্চের পর পাকিস্তানকে নতুন কোনো অস্ত্র দেয়নি এবং পুরোনো চুক্তিও বাতিল করেছে। তবে চীন, ইরান ও তুরস্ক পাকিস্তানকে প্রচুর অস্ত্র সরবরাহ করছে। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র চার্লস ব্রে জানান, পাকিস্তানের চাওয়া সত্ত্বেও তারা ‘বি-৫৭ বোমারু বিমান’ সরবরাহ করেনি।

পাক জেলে ২৫০ ভারতীয় ও পাকিস্তানের অপপ্রচার: পাকিস্তান সরকার জাতিসংঘ ও বিশ্বমঞ্চে অপপ্রচার চালায় যে, ভারত পূর্ব পাকিস্তানের চা-বাগান, ব্যাংক ও সরকারি কর্মচারীদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে জেলে পুরেছে। এর জবাবে ভারত সরকার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, এটি সম্পূর্ণ অসত্য। উল্টো সীমান্ত এলাকা থেকে এপ্রিলের শুরুতে অপহৃত সাংবাদিকসহ ২৫০ জনেরও বেশি ভারতীয় নাগরিক পাকিস্তানের কারাগারে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন এবং দুই মাস ধরে তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পাকিস্তান যে ৩১ জন ভারতীয় নাগরিকের তালিকা দিয়েছে, তারা সবাই মূলত পশ্চিম পাকিস্তানি। ৭০ লাখ শরণার্থীর জন্য পাকিস্তানের মাথা ব্যথা না থাকলেও এই ৩১ জন নিয়ে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ভুট্টোর মধ্যপ্রাচ্য সফর: প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার বিশেষ দূত হিসেবে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (PPP) প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো ইরানের উদ্দেশ্যে করাচি ত্যাগ করেন।

বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের দলত্যাগ: জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানের চারজন বাঙালি সেনা কর্মকর্তা (১ জন মেজর ও ৩ জন ক্যাপ্টেন) পালিয়ে এসে ভারতের ছামর অঞ্চলে আত্মসমর্পণ করেন এবং মুজিবনগরে গিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

৪. রণাঙ্গনের চিত্র: কাটাখালী গণহত্যা ও বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ

শেরপুরের কাটাখালী (রাঙামাটি খাঠুয়াপাড়া) গণহত্যা: ৫ জুলাই অপারেশন শেষ করে একদল মুক্তিযোদ্ধা ঝিনাইগাতীর রাঙামাটি খাঠুয়াপাড়া গ্রামে দুটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। ৬ জুলাই সকালে রাজাকার ও আলবদরদের সহায়তায় পাকিস্তানি বাহিনী পুরো গ্রাম কর্ডন করে ফেলে। মুক্তিযোদ্ধারা বিলের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে গুলি করতে করতে পিছু হটেন। এই সম্মুখযুদ্ধে কোম্পানি কমান্ডার এন এম নাজমুল আহসান, তাঁর চাচাতো ভাই মোফাজ্জল হোসেন ও ভাতিজা আলী হোসেন শহীদ হন। এরপর পাকিস্তানি বাহিনী গ্রামবাসীদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালায় এবং লাইনে দাঁড় করিয়ে ৬ জন গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে ও বাড়িঘরে আগুন দেয়। (শহীদ এন এম নাজমুল আহসানকে ২০১৭ সালে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’ দেওয়া হয়)।

দাউদকান্দির সফল অ্যাম্বুশ: দাউদকান্দির জয়পুর গ্রামে গোমতী নদীর শাখায় হাবিলদার গিয়াসের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দুটি লঞ্চে সফল অ্যাম্বুশ করেন। তুমুল যুদ্ধে ২০-২৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয় এবং লঞ্চ দুটি পিছু হটে।

শালদা নদী এনক্লেভে তুমুল যুদ্ধ: কুমিল্লার মন্দভাগ বাজার থেকে শালদা নদীর দিকে অগ্রসরমান পাকিস্তানি ব্যাটালিয়নকে মেজর সালেক ও ক্যাপ্টেন গাফফরের নেতৃত্বে ২ নং সেক্টরের ‘এ’ ও ‘সি’ কোম্পানি তীব্র বাধা দেয়। পাকিস্তানি বাহিনী ভারী কামান থেকে তীব্র গোলাবর্ষণ করলে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ৩২ জন বেসামরিক মানুষ হতাহত হন। তবে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী মন্দভাগ বাজারে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

রামচন্দ্রপুর ফেরিঘাট যুদ্ধ: কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের রামচন্দ্রপুর ফেরিঘাটে মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে প্রথমে ৪ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। পরবর্তীতে চাঁদপুর থেকে আসা আরও দুই কোম্পানি শত্রুসেনার সঙ্গে তুমুল যুদ্ধে ৩১ জন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত ও ৫৪ জন আহত হয়। মুক্তিবাহিনীর ২ জন যোদ্ধা গুরুতর আহত হন।

সিলেটের দিরাই থানা দখল: বীর মুক্তিযোদ্ধারা সিলেটের দিরাই থানা আক্রমণ করে ওসির রুমসহ থানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। অভিযানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক দালাল নিহত হয় এবং প্রচুর অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

৫. দালালদের তৎপরতা

এই দিন পূর্বাঞ্চলীয় পাকিস্তানি কমান্ডার লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজি সিলেট অঞ্চলের সীমান্ত ঘাঁটিগুলো পরিদর্শন করে সেনাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করেন। একই সময়ে সিলেটে শান্তি কমিটির নেতা মকবুল আলী চৌধুরী ও শাহাবুদ্দিন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান নূরুল আমিনের সঙ্গে পাকিস্তান রক্ষায় বৈঠক করেন। কিশোরগঞ্জে মৌলবাদী নেতা মাওলানা আতাহার আলী এবং সাবেক ডেপুটি স্পিকার এ টি এম আব্দুল মতিন ইয়াহিয়া খানকে ‘গণতন্ত্রী’ আখ্যা দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রদের ‘মুজাহিদ বাহিনী’তে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

তথ্যসূত্র

১. বাংলাদেশের independence ডকুমেন্টস: ঐতিহাসিক দলিল ও রণাঙ্গনের ইতিহাস

২. দৈনিক যুগান্তর (ভারত), ৬ ও ৭ জুলাই ১৯৭১

৩. আনন্দবাজার পত্রিকা (ভারত), ৭ ও ৮ জুলাই ১৯৭১

৪. দৈনিক ইত্তেফাক, ৭ ও ৮ জুলাই ১৯৭১

৫. মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরভিত্তিক ইতিহাস (সেক্টর ২ ও সেক্টর ১১)

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৮ কোটি টাকা বিতরণে পরামর্শক ও আমলাদের খরচ ৫৩ কোটি

পরকীয়ার অভিযোগে তরুণ ও গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, জোরপূর্বক বিয়ে

খাগড়াছড়িতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে শাহিনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

খাগড়াছড়িতে দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের জেরে গোলাগুলি, নিহত ৩

৬ জুলাই ১৯৭১: মুক্তাঞ্চলে জনপ্রতিনিধিদের শপথ, পাকিস্তানের মিথ্যাচার ও কিসিঞ্জারের অবরুদ্ধ যাত্রা

নিভিয়ে দেয়া হয়েছে ‘শিখা অনির্বাণ’

হোলি আর্টিজান হামলার এক দশক: ট্র্যাজেডি, বিচারপ্রক্রিয়া এবং বর্তমান নিরাপত্তা সমীক্ষা

জাপানের জমাট রক্ষণ চূর্ণ করে ব্রাজিলের উল্লাস

৭ শিল্প অঞ্চলে ৪৫৭ কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ, বিপাকে তৈরি পোশাক খাত

১০

বোবা কান্নার মেঘনা ও আমাদের মরে যাওয়া মনুষ্যত্ব

১১

একের পর এক ‘মিথ্যা’ মামলা, আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মিষ্টি সুবাস

১২

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি সহায়তা চাইল জাতিসংঘ

১৩

তিন মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত

১৪

ভেনেজুয়েলায় ১২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প

১৫

২৩ জুন ১৯৭১: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তোলপাড় এবং প্রতিরোধ যুদ্ধের উত্তাল দিন

১৬

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ

১৭

২২ জুন ১৯৭১: নিষেধাজ্ঞা ভেঙে পাকিস্তানে মার্কিন সমরাস্ত্রের চালান

১৮

ইরানের ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্থবির

১৯

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক এমপিপুত্র সজীব মুচলেকা দিয়ে মুক্ত

২০